ফাল্গুনী ঘোষ-এর প্রবন্ধ

ফাল্গুনী ঘোষ

ফাল্গুনী ঘোষ

ভাঁজোই কথা

আমাদের দেশে গ্রাম বাংলার জীবনযাপন সর্বার্থেই ঢিলেঢালা। যে কোনো বাঁধন শাসনের গন্ডী সেখানে এলিয়ে থাকে। যদিও এসবই দুবেলা দুমুঠো খেটেখুটে পেটের ভাত জোটানো মানুষদের ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য। যেখানে মেয়ে বৌদের মাথায় কাপড় টানা কিন্তু নেই কোনো পর্দাঘেরা শাসন। মন থাকে সম্ভ্রমে পরিপূর্ণ, কিন্তু ভীত বা স্বন্ত্রস্ত নয়। এদের রঙ্গরস হয় নির্ভেজাল তবে সেখানে উৎশৃঙ্খলতার বিষ নেশা থাকে না। মফস্বলী মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে বৌদের মত সেখানে বলা হয় না, ‘এই তুমি জোরে হাসতে পাবে না, নাচতে পাবে না, গাইতে পাবে না।‘—দেখানো হয় না কোনো কড়া শাসন। অথবা শহুরে উচ্চবিত্তের মত দেখানেপনার ছড়াছড়ি নেই। এদের যা কিছু আছে সে হচ্ছে সহজ টান। উৎসব, গান হয়ে প্রাণের টানে সে সহজের প্রকাশ।
নেহাৎ মেয়েলি, গ্রাম্য বা নিম্নকোটির যাপন বলে যে তাছিল্ল্য, অবহেলা সেটুকু সরিয়ে রেখে চোখ মেললে দেখা যায় শস্য বা অন্ন এদের কাছে দেবতা, বিলাসিতা নয়। তাই তো তাকে তুষ্ট করার কত আয়োজন। তুচ্ছ ঘাসপাতা, পোকামাকড়ের প্রতিও কত মমতা, কত আদর। সবাই প্রণম্য , গুরুত্বপূর্ণ। প্রসঙ্গত পুরাণের শাকম্ভরী দেবীর কথাটি মনে করিয়ে দিতে চাই পাঠককে। এবং তখনই একটু থমকে যেতে হয় মনে মনে যে, এদের শস্য বা কৃষিকেন্দ্রিক উৎসবগুলি একেবারেই ভিত্তিহীন নয় বোধহয়।
অবনঠাকুরের ‘বাংলার ব্রত’ গ্রন্থ থেকে ধার করে এখানে একটি কথা বলা চলে, “…যখন শাস্ত্র হয়নি, হিন্দুধর্ম বলে একটা ধর্মও ছিল না এবং যখন ছিল লোকেদের মধ্যে কতগুলি অনুষ্ঠান সেগুলির নাম ব্রত……” এ অনুভবের প্রত্যক্ষ রূপ দেখা যায় গ্রাম বাংলার বুকের পাঁজরে, হাজার একটা উৎসবের মিছিলে। চাপিয়ে দেওয়া কোনো মন্ত্র, পুরোহিত, উচ্চারণ যাগযজ্ঞ ছাড়াই এদের বছরভরের যাপন উৎসব হয়ে দুলে ওঠে। চড়ক, গাজন, নবান্ন, রোহিণ, টুসু, ভাদু, ভাঁজো এরকম জানা অজানা আরও কত।
জৈষ্ঠ আষাঢ় মাসে বীজতলায় বীজ বোনা। শ্রাবণ জুড়ে সে বীজ রোপণ করা – আমন ধানের এই রীতি। প্রকৃতি ভরা শাওনে যেমন নিজেকে উজাড় করে ঢেলে দেয় তেমনই মানুষও অকৃপণ তার পরিশ্রমে। ক্ষেত নিড়ানো, আগাছা পরিষ্কার, সার ছেটানো। মনে মনে প্রার্থনা পোকা মাকড় অপদেবতার হাত থেকে যেন মা লক্ষ্মী রক্ষা পান। শ্রাবণের শেষে ভাদ্র মাস জুড়ে মনে মনে এ প্রার্থনার দুটি সুর ভাদু আর ভাঁজো হয়ে প্রতিফলিত হয়। ‘ভাদু’ শব্দটি বা উৎসব বহু শ্রুত হলেও বীরভূমের ভাদুর রূপ ও আঙ্গিক অনেকাংশেই ভিন্নতর। ভাদ্রমাসের অবসরে এদের পুরুষেরা ভাদু মা’কে কোলে নিয়ে গাঁয়ে গঞ্জে বেরিয়ে পড়ে। এদিকে এসময় মেয়েদেরও অবসর। সে অবসরে ভাঁজো মা’কে নিয়ে সূচিত হয় তাদের যাপন।
অবশ্যই ভাদু আর ভাঁজোকে এক করে দেওয়া যায় না এক্ষেত্রে। কাশীপুররাজের কন্যা ভদ্রাবতী বা ভদ্রেশ্বরীর স্মৃতিতেই ভাদু, কিন্তু ভাঁজো সম্পূর্ণভাবে শস্যের অনুষ্ঠান। নামের উৎপত্তি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে যদিও।কারো কারো মতে সংস্কৃত ‘ভ্রাজ’ শব্দ থেকে এসেছে। ‘ভ্রাজ’ মানে দীপ্তি ও শোভা।কেউ কেউ বলেন ভাদই থেকে এসেছে। ভাদ্র মাসে যে ধান ওঠে তাকে ‘ভাদই’ ধান বলে। ভাদই থেকে ভাজোই আসা অসম্ভব নয়। অবনঠাকুর এই ভাঁজো ব্রতকেই শসপাতার ব্রত বলেছেন। ‘শস পাতা’ কথাটির অর্থ শস্য বিছানো বা স্থাপন। দ্রাবিড় গোষ্ঠীর মানুষজন ‘ভানজি’ অর্থে শস্যকে বোঝাত। ‘ভানজি’ থেকেও ভাঁজো আসা সম্ভব। সে কারণেই বোধহয় এক এক অঞ্চলে এক এক নামে পরিচিতি এ উৎসবের। ভাঁজুই> ভাজুই> ভাঁজো> ভাজো।
ভাঁজো ব্রতের উদ্ভবের ইতিহাস প্রায় অন্ধকারাচ্ছন্ন। অনুমানসাপেক্ষে ‘সেক শুভোদয়ার’ গ্রন্থানুসারে বলা যায় চতুর্দশ-পঞ্চদশ শতাব্দীর অনেক আগেই ভাঁজো অন্ত্যজ নারী সমাজে প্রচলিত ছিল। ভাদ্রমাসের শুক্লাদ্বাদশী তিথিতে ইন্দ্রধ্বজ উৎসবের ক্ষণ। তারপর দিন ইন্দ দ্বাদশী। ভাঁজোব্রতের সূচনা এইদিনই। মহাভারতে ইন্দ্রধ্বজ উপাসনার কথা আছে। ইন্দ্রধ্বজ অপদেবতার হাত থেকে শস্য রক্ষা করেন এমনই বিশ্বাস।স্বভাবতই শ্রী ও সম্পদের দেবীর সাথে মিলে মিশে একাকার হয়ে যান ইন্দ্রধ্বজ। নাম হয় ‘ইঁদলক্ষ্মী’। কিন্তু তৎকালীন সমাজে উচ্চকোটির নারীরা এই পুজো করার অধিকারিণী হলেও নিম্নকোটির নারীদের কোনো অধিকার ছিল না। খুব স্বাভাবিকভাবেই ফল-ফসল-শস্য অপদেবতার হাত থেকে রক্ষা করবার উদ্দেশ্য নিয়ে মাল-বাউরি-বাগদি-কাহার পাড়ায় সূচনা হয় ভাঁজো পরবের। সম্ভবত সে কারণে পুজোর গানেই পুজোটি গোপন করার কথা রয়েছে—
“ভাঁজুই লো সুন্দরী মাটি লো সরা
কাল ভাঁজুই-এর বিয়ে দেব পঞ্চফুলের মালা
পঞ্চফুল থোকা থোকা মালায় গেঁথেছি
কাউকে যেন বলো না গো ভাঁজুই পেতেছি।“
বীরভূম, বর্ধমান ও মূর্শিদাবাদের কিছু কিছু অংশে ভাঁজো পরব লক্ষ্য করা যায়। ভাঁজোর নিজস্ব কোনো মূর্তি নেই। ভাদ্রমাসে শুক্লপক্ষে দ্বাদশীর দিন ইঁদ রাজার পুজো যেখানে হয় সেই স্থান থেকে মাটি নিয়ে আসে ব্রতীরা। কুমারী মেয়ে বৌ’রা মিলেমিশে ব্রত পালন করে। কোনো পুরুষ সাধারণত এ উৎসবে অংশগ্রহণ করে না। এটা কোনো বিধিনিষেধ নয় যদিও তবু মূলত পুরুষেরা ভাঁজো পুজো করে না। যদি নিজেদের গ্রামে ইঁদতলা না থাকে তো অন্য গ্রাম থেকে ইঁদ পুজোর মাটি নিয়ে আসে। ইঁদতলার মাটির অভাবে ইঁদুরের মাটিও কোথাও কোথাও ব্যবহার হয়। ইঁদতলার মাটির সাথে সাতরকম শস্যদানা মিশিয়ে সরায় সরায় ভরে সূচনা হয় উৎসবের।শন-গম-মসুর-ধান-ছোলা-যব-সরষে এই হল সাত প্রকার বীজ। অন্যান্য পুজোর মত নিয়ম কানুন কঠোরভাবে মনে রাখার দরকার পড়ে না ভাঁজোতে। সাতজন, নজন বা দশজনের যৌথ সঙ্গীতে সবার মনে পড়ে যায় এসব সূচনার কথা—
“ভাঁজোই পাতিতে ও ভাই কি কি লাগে
ইঁদ সরষে ইঁদের মাটি মাষকলাই লাগে।“
আরেক ব্রতী তখন সুর ধরে,
“ভাঁজোই লো ভাঁজোনি পাই গো মোরা
ইন্দ্রাদ্বশীতে ভাঁজোই পেতেছি মোরা
ইঁদ সরষে ইঁদের মাটি তাও এনেছি
মাষ কলাই, শনের বীজ তাও এনেছি।“
সরায় সরায় মাটি আর বীজ তো ছড়ানো হল। এরপরেই ফুল, ধূপ, ধুনো দিয়ে ভাঁজোই মায়ের বন্দনা প্রারম্ভের পালা—
“আমরা ভাঁজোই মাকে এনেছি
পায়ে আলতা পড়েছি
সিঁথি ভরে সিঁদুর পড়েছি।
উখু মাথায় আছি
তেল হলুদ পেলেছি
তোমার ব্রত পালন করেছি……”
 কোনো বিশেষ প্রকরণের বই নেই। দরকার পড়ে না পৌরোহিত্যের। গানে গানে সহজিয়া সুরে সকলে মিলে হাত ধরাধরি করে নিয়মগুলি বয়ে যায়। এই যে তেল হলুদ ছাড়া নিরামিষ খাবার খেয়ে আলতা সিঁদুর পরে পালন করা সে তারা নিজেদের প্রাণের টানেই করে। ভাঁজো তখন তাদের ঘরের মেয়ে। এক-দুই-তিন-চার গুনতির দিন বেয়ে নদিন ধরে আদর কদরে প্রতিপালিত তাদের ঘরে। কত তার রকমফের। ভাঁজোকে প্রতিদিন জাগানো, ঘুম পাড়ানো, নাওয়ানো, ধোয়ানো, খাওয়ানো, পড়ানো। আবার যুবতী ভাঁজোই-এর জন্য বিয়ে সাঙার ব্যবস্থাও করতে হয় তাদের। তাই প্রতিদিন সন্ধেয় নিয়ম করে ধূপদীপ দেওয়া, ফল প্রসাদ খাইয়ে কচুপাতায় ঢেকে বলা হয়—
“আজ তোমাকে রেখে গেলাম খিল কপাট দিয়ে
কাল তোমাকে তুলে নেব ঝাঁট মারুলি দিয়ে।“
আবার পরের দিন সকালে তাদের আদরের ভাঁজোকে নিয়ে দিন শুরু হয়—
“একদিনকার ভাঁজো আমার দুয়ে দিল পা
তবু সোনার ভাঁজো গা তোলে না
গা তোলোরে ভাঁজো গা তোলো
বসতে দেব শীতল পাটি খেতে দেব ননী
মা বলাটা বড় কথা বলরে যাদুমণি
যাদুর হাতে ক্ষীরের নাড়ু, বর্ধমানের কলা
ভোজনে বসিয়ে দেব ঠিক দুপুরবেলা……”
এইভাবে ধীরে ধীরে সময় পেরোবে, দিন পেরোবে আর ভাঁজো ‘গা’ তুলবে। অর্থাৎ মাটির বুকে মুখ লুকিয়ে থাকা শস্যদানাগুলি অঙ্কুরিত হবে। — এই তো কামনা ব্রতীদের। পরিপূর্ণতার আভাসটুকু পেলেই এদের আনন্দ, উৎসাহ, দ্বিগুণ হবে। রঙ্গরসে মাতবে দলবেঁধে। পাড়ায় পাড়ায় ভাঁজোর দল কোমর কষে ঝগড়া করবে, কার ভাঁজো কেমন সে নিয়ে।
“আমাদের পাড়ার ভাঁজোইগুলা সোনার মাদুলি
তোদের পাড়ার ভাঁজোইগুলা গোড়ের গুগুলি।“
ভাঁজোকে নিয়ে এই যে লৌকিক উপাসনার ছলাকলা‍য় একত্রিত হওয়া। ঠাট্টা, ইয়ার্কি, রঙ্গরসের ঝগড়া এসবই গ্রামীণ অবরুদ্ধ নারী জীবনের যৌথসঙ্গীত। এটুকুই মুক্তির শ্বাস তাদের। ঝাঁ চকচকে সভ্যতার প্রায় ছোঁয়াচ বাঁচিয়ে এই সুখ দুখের সুরেলা নকশি কাঁথাটি বোনা হয়। এতেই এরা দুলে ওঠে, এ ওর গায়ে হেসে গড়িয়ে পড়ে। ছন্দে তালে কোমর দুলে যায়। কি অপূর্ব সব চিত্রকল্প আর ব্যঞ্জনা। দুবেলা দুমুঠো শাকান্ন খেয়েও এদের ভাব ভাষা, মুখের হাসি কিকরে বজায় থাকে ভাবলে অবাক হতে হয়।
গ্রামীণ আবহ ঠিক যেমন রঙ্গরস ও আনন্দে মাতে ভাঁজোকে কেন্দ্র করে, মলিনও হয়। অষ্টম দিনের দিন দেখা যায় অঙ্কুরিত বীজগুলি থেকে ভাঁজো ‘গা তুলে’ পূর্ণতা পেয়েছে। লকলক করে খিলখিলিয়ে উঠছে তারা। হাওয়ায় হাওয়ায় ছড়িয়ে গেছে খবর, যে এবার ভালো ফসল হবে। ভাঁজুই-এর ঘট ভাসিয়ে বীজসহ অঙ্কুরিত গাছগুলি অনেকে ঘরে এনে রাখে। তাহলে নাকি ছোলা, কলাই-এ পোকা লাগে না। এ ওদের বিশ্বাস। আমাদের দৈনন্দিন ধর্মীয় ব্যবহারে যদি নজর রাখি এরকম অনেক প্রাচীন জাদুবিশ্বাসের সন্ধান আমরা তথাকথিত সভ্য শিক্ষিত আমাদের মধ্যেই পাব। এই নিরক্ষর মহিলারা এটুকু জাদুবিশ্বাসে ভরসা করতেই পারেন চোখ বুজে।
এরা ভাঁজোর বিসর্জন বলে না, বলে জলাশয় করানো। কেননা যা বিসর্জন দেওয়া হয় তা আর ফিরে আহ্বান করা চলে না। তবেই তা বিসর্জন হয়, কিন্তু ভাঁজোকে জলে দিতে গিয়ে এরা কেঁদে ভাসায়—
“তোরা আয় গো সবাই মিলে সই হব
ভাঁজুই কে জলে দিয়ে কেঁদে বেড়াব।
ভাঁজুই ভাসিয়ে দিয়ে করব কি
ঘরে আছে শিল পাটা বুকে নিয়ে মরব জি”
এ যন্ত্রণা কোনো বানিয়ে তোলা মেকি যন্ত্রণা নয়। এদের নিয়ে কাজ করতে গিয়ে এদেএ চোখে মুখে কষ্টের ছাপ আমি নিজে দেখেছি। ভাঁজো তাদের নাড়ি ছেঁড়া ধন। আবার বছর ঘুরলে তবেই ভাঁজোকে কাছে পাওয়া যাবে, ফলত এক আকুল অপেক্ষা মনে। তাছাড়া আকাশে বাতাসে তখন উৎসবের সুর বেজে গেছে। বর্ষার জলে পুষ্ট মরা নদীর সোঁতা কুলকুল করে বইছে। পাড়ে পাড়ে কাশফুলের রূপে যেন পুঞ্জ পুঞ্জ মেঘ কেউ সাজিয়ে দিয়ে গিয়েছে। আকাশেও সাদা মেঘের ভেলা। ভাঁজোর ডালা ভাসলেই দেবীর বোধন। তাই প্রাণ খালি লাগে এদের।
সবশেষে একটিই কথা বলার যতই গ্রাম্য লোকাচার বলে আমরা দাগিয়ে দিই না কেন– এ উৎসবে বিজ্ঞান, ভৌগোলিক পরিবেশ ও সহজ শিল্প সৌকর্ষের বাঁধনে মজবুত তা অস্বীকার করার নয়।আর ঠিক এই যৌক্তিকতার জায়গা থেকেই বাংলার লুকিয়ে থাকা লুপ্তপ্রায় সংস্কৃতির গভীর অন্বেষণ প্রয়োজন বলে মনে করি। কারণ তা না হলে এদের পরের প্রজন্ম এসব প্রথা ধরে রাখতে বিন্দুমাত্র উৎসাহী হবে না। আর সেটাই বোধহয় স্বাভাবিক ঝোঁক, কারণ মূলস্রোতে মিশতে সবাই চায়। তাই যখন দেখি এসব পরিবারের ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা করে, আধুনিকতা ছুঁয়ে যায় তাদের সে খুব আনন্দের কথা। কিন্তু তারা বিনা দ্বিধায় প্রচলিত চটুল বাংলা ও হিন্দীগান গেয়ে দেয় অথচ পূর্বপুরুষের সংস্কৃতির প্রতি নিজেদের অজান্তেই উদাসীন তখন মনে হয় এসব আমাদেরই আশু কর্তব্য। হারিয়ে যাওয়া সংস্কৃতির মূল্য নিজে বোঝা, এদেরকে বোঝান এবং তার সংরক্ষণ আমাদের নিজেদের স্বার্থেই এ গুরুভার আমাদের বহন করা উচিৎ বলে মনে করি।
শেয়ার করুন