বিশ্বনাথ পুরকাইত-এর কবিতা

Spread This

বিশ্বনাথ পুরকাইত

ঘটনাচক্রে 


বনহরিণীর গল্প ছেড়ে উঠে আসি
জানি শেষে ওর মাংস খাওয়া হবে।
এ গ্রামের লোক নদী মানে মাছ, বন মানে
মাংসই বোঝে। অতএব
তেঁতুল গাছের দিকে চলে যেতে হয়,
শকুনের গুয়ে তার পাতারা ধূসর;
যেন বরফ পড়েছে। পুজোর ছুটিতে
গ্রামের মেয়েরা আসে, বরেদের তারা
ঘুরিয়ে দেখায় গ্রাম; ভুলেও আসে না
ওই তেঁতুল গাছের পাশে।


‘বিপজ্জনক’ লেখা বাড়িটাতে আমরা ছিলাম
ওখানেই দিদিদের বিয়ে-শাদি হলো
তখনো সোনারপুরে সস্তা ছিলো জমি
বাবা আরো বোকা ছিল। রাস্তায় দাঁড়িয়ে
বাংলা কবিতা ছেড়ে ভাবি গোয়া যাব
ছোট্ দির বাড়ি

 


এর পর কী? হাজার ভবিষ্যদ্বাণী উড়ে আসে।
ইতিহাসের ভারে ন্যুব্জ হাতে নতুন বোঝা।
ঢের ভালো ডুবে থাকা, শান্ত জলের
নিচে স্বপ্ন দেখা—কোনো ভবিষ্যদ্বাণী
মেলেনি মানুষের


আমরা সাদামাটা; হঠাৎ নাটকে ঢুকিয়ে নেওয়া হলো। সংলাপও বলিয়ে নিলো কেউ। যিনি জাত-অভিনেতা নিজের ভূমিকায় লা-জবাব; আলো দেখালেন। সত্যি আলো।


আমাদের ভূমিকায় আমরা সফল। যা বলতে বলা হয়েছিল বলেছি, যে ভাবে দাঁড়ানো বিধি সে ভাবে দাঁড়িয়ে দেখিয়েছি আমরাও পারি।—জাগরণে আপাতত এই