সম্পাদকীয়-কিংশুক

Spread This

শীতঘুম পেরিয়ে আসতে সময় লাগলো। এখন ঝরাপাতার দিন। শব্দ। অক্ষর। একলা লালমাটির পথ সাইকেলে আঁকা। এখন পলাশ। এখন মন কেমন! বসন্তের ডাকটিকিট নিয়ে “কিংশুক” চলে এল কী-বোর্ড জুড়ে। আবীর লেখা কোনো এক আনমনা বিরতি বিকেলে। খুব আদুরে এই সময়। পাখির মতো নরম হয়ে আছে শব্দের ঘ্রাণ…

তবুও কোথাও কোনো উৎসব নেই! অযোধ্যা থেকে শিমলিপাল…আগুনে সব শেষ। দলমার মাদলে কান্না লেগে আছে। শিল্প হবে শিল্প… মৃত্যুর পেট চিরে হাড়মাস চিবোতে চিবোতে আমরা আনন্দ করবো। এই বিপন্ন সময়ে যখন মুখ গুঁজে পড়ে আছে বেঁচে থাকা। যখন ধর্মের টনিক খেয়ে মানুষ খিদে ভুলে যাচ্ছে। ভুলে যাচ্ছে নিজের ভাষা। নিজের ঘর। নিজের শব্দ। আমরা অপেক্ষা করে আছি এক অজানা সময়ের, যখন প্রকৃতি নিজের মতো করে নিজেকে সাজিয়ে নেবে। আর আমাদের জন্য চিড়িয়াখানা হচ্ছে। পৃথিবীর বৃহত্তম।

চলভাষের চতুর্থ সংখ্যা “কিংশুক” ভাষা জড়িয়ে আছে। মাটি জড়িয়ে আছে। “কিংশুক” শব্দ কামড়ে পড়ে আছে… আমাদের বসন্ত সংখ্যা “কিংশুক” পাঠকের জন্য।