সম্পাদকীয়

অক্ষরের ঘ্রাণ নিতে নিতে বৃষ্টিদের সোঁদা গন্ধ কখন যেন লেখকের জন্মদিন হয়ে যায়। জল ফোটানো ঘরবাড়ি। দূরত্ব মাপা যন্ত্র দিয়ে মানুষেরা জড়তা তৈরি করতে শিখেছে।
খিদের ভাতে জল ঢেলে চলে যাচ্ছে শব্দজাতকেরা। আলো দিতে বেশি সময় লাগে না। মনে হয় ওই তো সূর্যের দিকে তাক করে আছে চাতকের ঘর। এই সময় কেন অপু দুর্গার সেই একঘেয়ে ছবি। কাশবনের দৌড়। ট্রেন। সে তো আর আমাদের নেই! ওটা কেবল দৃশ্য। তাও বাংলার ঘরে মা আসছে ভেবে রোদে শুকিয়ে যাওয়া আমের আচার। ঘাড়ে পাউডার দিয়ে প্যান্ডেলের অপেক্ষা। বাঁশ ত্রিপলের গন্ধ। মা কীভাবে আসছেন!

পেটে যে ভাত নেই। জানি না কতদিন থাকবে! এই অক্ষরের চাষাবাদ। মৃত্যুর অপেক্ষা করতে করতে দোল খাওয়া চেয়ারটা এখন বন্ধ জীবনে জামা কাপড় শুকোচ্ছে।

এর মধ্যেও আমাদের দ্বিতীয় সংখ্যা “অকাল বোধন” শালিক পাখির জন্মদিনের মতন আমরাও ডেকে উঠছি, এই চলমান সময়ে। সেই দৃশ্য ছেড়ে সোজাসুজি বাস্তবের স্বপ্নে! যা তৃতীয় সিঁড়িতে নিয়ে যাবে…

শেয়ার করুন