শানু চৌধুরী-র কবিতা

Spread This
Shanu Chowdhury

শানু চৌধুরী

১.
চূর্ণ স্নানের মরশুমে জল হয়েছিল বাবা
যে কবিতায় জীবন বোধ নেই
সেখানে ছেঁকে ওঠে দূরাগম তমসার চর
আমিতো শেষ কবিতা লিখতে বসিনি
ছায়া থেকে খেলাতে পারিনি দুর্বলতা
এ হুঙ্কার আমি কিভাবে খাবো?
নাকি আমার কবিতায় বসে গেছে
একার খোলস?
এই নাও জীবন, যেখানে দেখতে পাবে
আমি বলেছি যা চাইনি তার কথা,
যেখানে আমি বলিনি যা চেয়েছি তার কথা

২.
গলে যাওয়া বাইসন, ব্রোঞ্জ ধাতুর আড়ালে
ছুঁড়ে ফেলেছে আমাদের অঘ্রাণ

ঝড়ের আগে ক্ষয়ে যাওয়া ওষুধের গ্রাম
ধনুক থেকে যদি টুকে রাখা যেত
আমাদের রোহিণী নদীর ফলনে
তবে সরল হতো কৃষিবিদ্যা
এসব পয়মন্ত আমাকে হতাশ করে চিরকাল
বর্ষা যাপনের ঘরে দেখতে থাকি
নিঃশব্দ আলতার দাগ!
তবু কিছু ছিল…
ঘৃণার আগে বিরহকালীন মাটির নোনা ঘাস
যার আগের টগবগে অন্ধকারে
আমি দেখেছি মুখোশের বেহালা

৩.
দুঃখ কেটে বসানোর পর
লোকটি আপেল খেল
ঠাণ্ডার কাছে পৌঁছাবে বলে
হোঁচটে ক্ষয়ে যাওয়া নখ
তার দিকে ভুল আঙুল তুলে দিয়ে দ্যাখে
শুক্র ফেটে যাওয়ার কোনো মিস্ত্রি নেই
এমন উন্মাদ, হিপোক্রেসি ভরা বৃষ্টিতে
টানাটানি করা ক্রিয়াপদ খসে গিয়ে
চেঁছে নিলো সত্যের গড়ান কাহিনি
এইভাবে পাঁজর থেকে জাতারা হলো
আর মাঠে গিয়ে মিশে গেল চনমনে দ্রাবিড়