মৃণাল শতপথী-র গদ্য

Spread This
Mrinal Satpathy

মৃণাল শতপথী

হাইল হিটলার অথবা একটি খরগোশের গল্প

ব্যাঙ্গালোরের একটি জুনিয়র স্কুলে তার বছর চারেকের সন্তানকে ভর্তি করেছে আমার স্কুলজীবনের এক বান্ধবী। সেন্ট্রাল অ্যাফিলিয়েটেড স্কুল। খুবই উদ্বিগ্ন হয়ে সে একদিন জানায়, ছেলেকে স্কুল ছাড়িয়ে দেওয়া ছাড়া গত্যন্তর নেই। স্কুলের প্রার্থনা সঙ্গীতের পর নতুন নিয়ম করা হয়েছে ছাত্ররা সমস্বরে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দেবে। রাম অথবা তার জয়ধ্বনি নিয়ে বান্ধবীর ভাবনা বিশেষ নেই কিন্তু এইটুকু বাচ্চার মাথায় একটা উদ্দেশ্যমূলক রাজনীতির অনুপ্রবেশ ঘটানোর চেষ্টা সে কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না।
তার কথা শুনতে শুনতে আমি আরেকটা ভাবনায় চলে যাই। বছর দুয়েক আগে আমার কলেজ জীবনের বন্ধু বিমর্ষ ছিল তার বছর পাঁচেকের মেয়েকে নিয়ে। সংঘ চালিত একটি স্কুলে পড়ে তার মেয়ে। আশেপাশের মধ্যে তার থেকে ভালো স্কুল আর নেই। নিয়ম, নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা,লেখাপড়ার মান সব দিক দিয়েই স্কুলটি ভালো। তাহলে সমস্যা কোথায়? বন্ধুর কন্যা একদিন খাবার টেবিলে বসে ঘোষণা করেছে, মুসলমানরা খারাপ! সে আনিসের সঙ্গে আর কথা বলবে না কারণ সে জানতে পেরেছে আনিস মুসলমান। আনিস পাড়াতেই থাকে, অন্য স্কুলে পড়ে, বন্ধুর মেয়ের খেলার সঙ্গী। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে মাথাব্যথা নেই আমার বন্ধুর, কিন্তু তার মেয়ে এই বয়সে অন্য একটি শিশুকে অপছন্দ করতে শুরু করেছে কেবল ধর্মীয় কারণে, যার সে কিছুই বোঝে না, এ ব্যাপারটি তাকে চিন্তিত করেছে। খোঁজ নিয়ে আরও জেনেছে, স্কুলটির অনেক বাচ্চারই এমন বিশ্বাস, তা নিয়ে তাদের ক্লাসে আলোচনাও হয়। বন্ধুটি অবশ্য এটা বিশ্বাস করে না যে শিক্ষকরাই এসব সরাসরি শেখাচ্ছেন, কিন্তু স্কুলটির সামগ্রিক পরিবেশেই এমন কিছু আছে যা থেকে এই ধারণাগুলি গড়ে উঠছে শিশু মনে।
শিশু মন। সে মনেরও দখল নেওয়া দরকার। একতাল নরম মাটি, যা খুশি গড়ে নেওয়া যায়। এই গড়ে নেওয়াটি প্রয়োজন। শিশুরা আগামী জনবল, তাদের শিক্ষা-পদ্ধতি ভবিষ্যতের প্রশিক্ষিত বাহিনী গড়ে তুলবে, যে বাহিনী এগিয়ে নিয়ে যাবে একটি মতাদর্শকে। শিশুর মধ্য দিয়ে এই মতাদর্শ দু’ভাবে গড়ে উঠতে পারে। একটি, এই জীবজগতের যা কিছু তাকে অপরিসীম ভালোবাসার বোধ দিয়ে, সূর্যালোকে চোখের পাতার জেগে ওঠা দিয়ে, রাত্রির চন্দ্রালোকে সিক্ত হয়ে প্রশান্তির নিদ্রার দিকে যেতে যেতে পথপ্রান্তের নীল ফুলটির পাপড়ির ঘ্রাণ, তার বুক থেকে মধু আহরণ করা পতঙ্গটি, কীটানুকীট থেকে মনুষ্যেতর প্রাণী, এই যে মহাবিস্তৃত জীবন তার প্রতি সহমর্মী মনটির গড়ে ওঠা। আর অপরটি, আমিই শ্রেষ্ঠ, আমিই উচ্চ, একমাত্র আমি মহান, বাদবাকি তুচ্ছ, ঘৃণার পাত্র, এই গ্রহটি থেকে উৎপাটনযোগ্য। শিক্ষণের কাদামাটি ক্রমে অবয়ব নেয়। প্রথমটি প্রাকৃতিক,ঝর্ণার অনায়াস ঝরে পড়ার মতো সাবলীল, সুন্দর। অন্যটি অস্থির,উন্মাদগ্রস্ত, ধ্বংসেই যার আস্থা, অপরকে ঘৃণাতেই তার উত্থান ও পতন। দানবিক প্রশিক্ষণ ধ্বংসযজ্ঞ শেষে বিনাশ করে নিজেকেও। মেঘের থেকে ঝরে পড়া বৃষ্টির ফোঁটা মাটির বুকে যে সৃজনের গল্প লেখে, কেউ তাকে তা শোনায়নি।
এসব ভাবতে ভাবতে আমার একটা নিরীহ খরগোশের কথা মনে পড়ে। বছর দশেকের এক কিশোরের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে মোলায়েম লোমের তুলতুলে, ভীরু চোখের জীবটিকে। হিটলারের ইউথ উইঙয়ের ট্রেনাররা এবার নির্দেশ দেয়, কিল ইট! মেরে ফ্যালো। কিভাবে খরগোশটির ঘাড়ের পলকা হাড় মট করে ভেঙে দিতে হয় তা দেখানো হয়। তবু জ্যান্ত খরগোশটিকে হাতে নিয়ে মৃত্যু অথবা হত্যার কল্পনা কিছুতেই আসে না কিশোরের! এ বয়স অফুরন্ত জীবনের, প্রাণোচ্ছল উড়ানের সেখানে মৃত্যুর স্থান কোথায়! কিশোরটির মুখ ভয়ে ফ্যাকাসে। এদিকে সমবেত হিংস্র ধ্বনি ওঠে বারেবারে, কিল ইট! কিল ইট! এই নিরীহের হত্যা-প্রশিক্ষণে কিশোর মন প্রস্তুত হবে আগামীর বিনাশ-লীলায়। সেই কবে থেকে নাৎসিদের লক্ষ্য ছিল অপাপবিদ্ধ জার্মান শিশু কিশোররা। নাৎসি প্রচারে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হতে থাকে ১০ থেকে ১৭ বয়সীদের। ১৯৩৯ এর আগেই যখন নাৎসি ইউথ গ্রুপের সদস্য হওয়া বাধ্যতামূলক হয়ে যায় সমস্ত জার্মান কিশোরের, কেবল একটি বছরে, ১৯৩৩ সালের জানুয়ারি মাসে সদস্য সংখ্যা ৫০০০০ থেকে বছর শেষে দাঁড়ায় ২০ লক্ষে। ১৯৩৯শের আগেই সেই সংখ্যা পৌঁছয় ৫৪ লক্ষে, যার ৭ লক্ষ নেতৃত্ব দেবার জায়গায় চলে যায়।
ঘুমের ভেতর স্পষ্ট শুনতে পাই একা নির্জন ঘরে এক কিশোর অভ্যেস করছে ‘হাইল হিটলার’ বলা, বিশুদ্ধ জার্মান উচ্চারণে, আর্য রক্তের তেজের সঙ্গে, কিন্তু কিছুতেই পারছে না, জিভ আড়ষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে, সেই কাঙ্ক্ষিত গর্জন অবিকৃতভাবে উঠে আসছে না যেভাবে লক্ষ লক্ষ অনুগত মোহগ্রস্ত হাত মাথার ওপর তুলে অভিবাদন জানায়। তার ভোকাল কর্ড এখনও অপরিণত, সেই স্বরে এখনও সুর লেগে আছে, রিনরিনে তান ছুঁয়ে আছে, তাকে মুছে দেওয়া যাচ্ছে না। কিশোরটি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠছে নিজের ওপর। ব্যর্থতায় অস্থির।
কল্পনা আর সৌন্দর্যের স্বপ্নময় এক বয়সকাল। ফ্যান্টাসির সর্বময় জগত থাকে বলে সহজে আকর্ষণ করে উন্মাদনা। যুদ্ধের উন্মাদনা, অস্ত্র ধরার রোমাঞ্চ, বিদ্বেষের অভিযান। তাই এই কচি প্রাণগুলিকে নাৎসিরা ব্যবহার করতে শুরু করে যুদ্ধের কাজেও। মিত্রশক্তি যখন ঢুকে পড়ে জার্মানিতে, বেপরোয়া নাৎসিরা এমনকি দশ বছরের বালকের হাতে তুলে দিয়েছে মেশিন গান, হ্যান্ড-গ্রেনেডের মতো অস্ত্র। আর তারপর আমি ছুটে চলে যাচ্ছি ১৯৪৫ সালে, ডেনমার্কে। হিটলার তখন পরাজিত। মুক্ত ডেনমার্ক। মিত্রশক্তির হাতে বন্দী নাৎসিদের কিশোর বাহিনী। যাদের যুদ্ধের নানান প্রয়োজনে কাজে লাগিয়েছে নাৎসিরা এবার বিস্তীর্ণ সমুদ্র তটে মিত্রবাহিনীর ড্যানিশ সার্জেন্ট তাদের কাজে লাগায় বালিয়াড়িতে পুঁতে রাখা ভয়ানক সমস্ত মাইন উদ্ধারে। একটাই আশ্বাস, মাইন মুক্ত হলে তারা দেশে ফিরতে পারবে। ঘরে ফেরার সুখস্বপ্নে বিভোর ১৬-১৭ বয়সের কিশোররা দিনের পর দিন উপুড় হয় বালিতে, পাইপ দিয়ে বালি খুঁচিয়ে খুঁজে চলে মাইন। অতি সাবধানে ডিফিউজ করতে হয় সেগুলো। খাবার নেই, যুদ্ধ শেষে খাদ্য সংকট। অখাদ্য, কুখাদ্য খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে, তবু কাজের ছুটি নেই, অসাবধানে মাইন ফেটে ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যায় কারও শরীর। হাসপাতাল থেকে সে আর ফেরে না । বাকিদের মিথ্যে বলা হয়, সুস্থ হয়ে সে বাড়ি ফিরে যাবে। কি তীব্র হাতছানি সেই বাড়ির! তারা দ্বিগুণ সময় কাজ করে। দিনের শেষে বিছানায় শুয়ে স্বপ্ন দেখে ঘরে ফেরার। মানসিক রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ে কেউ, মাইনে ইচ্ছাকৃত পা দিয়ে উড়িয়ে দেয় নিজেকে। এক অবর্ণনীয় কষ্টগাথা, ঘৃণা আর পাল্টা ঘৃণার দুর্বিষহ এক সময়।
তবু বহুবার ঘুমের ভেতর চমকে উঠে ভেবেছি শিশু মনে সত্যিই কি থাকে অপরকে ঘৃণার বোধ? কী রূপে থাকে? শৈশব তো সর্বময় শুভকালের, বিশুদ্ধতার। ঠিক এইখানটিতে সর্বশক্তিমানেরা একটি ভূতের গল্পের আমদানি করেন, অথবা রাক্ষসের খোক্কসের অথবা দত্যি দানোর। শিশুদের সুন্দরের বিপরীতে যাদের অবস্থান, যারা অনাগত, ভিন্ন, বহিরাগত তাদের মোহময় ফুল, প্রজাপতি জীবনে। তাদের বলা হয় এমন ক্ষমতাবান হবে তুমি যাতে এই যতো কদাকার ভিনগ্রহীদের নিকেষ করতে পারো, তারা উৎফুল্লে রাজি হয়। কতরকম ভূমিকায় যে তখন তারা! নবীন সেনা দলে তারা গর্বিত সৈনিক, কচি হাতে তুলে নিচ্ছে মারাত্মক সব অস্ত্র। তারা মোড়ে মোড়ের দেয়ালে সাঁটাচ্ছে প্রচারপত্র, চলছে সাফাই অভিযান, অংশ নিচ্ছে ক্যাম্পে। আবার চরবৃত্তিও করছে ঘরে বাইরে। সর্বশক্তিমানের ন্যুনতম সমালোচনা অথবা ইহুদি সহমর্মীতার ফিসফাস হলে শিশুরা খবর দিচ্ছে নিজের বাবা মায়ের বিরুদ্ধেও!
শ্রেণীকক্ষে ইহুদী ছাত্ররা বসে আলাদা, একেবারে পেছনের সারিতে। আর্য শিক্ষকরা তাদের প্রতি দৃকপাত করেন না। কেউ মেশে না তাদের সঙ্গে, অকারণে তারা মার খায়, রক্তাক্ত হয়। গোটা দেশে এক জনগোষ্ঠী সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক হয়ে থাকে। এমনটা কেন কেউ জানে না, কেবল জানে ইহুদিরা আলাদা, ভিন্ন, তাদের মতো নয়। তাহলে কাদের মতো? ১৯৩৩ সালের এপ্রিল মাসের মধ্যেই জার্মানিতে সমস্ত ইহুদি শিক্ষক স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অপসারিত হন। তবু ইহুদিদের আলাদা স্কুল ছিল যেখানে ইহুদি শিক্ষকরা ইহুদি শিশু কিশোরদের পড়াতে পারতেন কিন্তু ১৯৩৮ সালের পর সারা দেশে ইহুদিদের লেখাপড়া নিষিদ্ধ হয়ে যায়। সর্বশ্রেষ্ঠ জাতির ছেলেমেয়েরা দেখে ব্ল্যাকবোর্ডে আঁকা কুৎসিত কোনো ডাইনির ছবি, চেনানো হয় ইহুদি বলে। ইহুদিরা আধা মানুষ হয়ে যায়, অসম্পূর্ণ মানুষ। পাঠ্যবইতে ইহুদিদের ছবি আঁকা থাকে, তাদের ভাঙা কোমর, ব্যাঁকা নাক, গোল গোল বিস্ফারিত চোখ ঠেলে বেরিয়ে থাকে, ঝুলে থাকে জিভ, তারা লোমশ পশুর মতো, কদর্য, ভীতিপ্রদ, অশুভর প্রতীক, এবং সর্বশ্রেষ্ঠ আর্যতেজোদীপ্ত জার্মান জাত্যাভিমানে তারা নিকৃষ্ট অনুপ্রবেশকারী! এই মতাদর্শের প্রতিষ্ঠা দিচ্ছে এমন একটি নির্বোধ লোক যে তার গোঁফটাকেও সম্পূর্ণ গজিয়ে তুলতে পারেনি! এভাবেই জনমত গঠন হয়, এভাবেই ছাড়পত্র মেলে সহনাগরিকদের বৈধ গণহননের।
অঙ্ক বইতে শিশুরা পাটিগণিত শেখে, জার্মানিতে ইহুদিরা অনুপ্রবেশকারী। যদি ১৯৩৩ সালে জার্মানির মোট জনসংখ্যা হয় ৬৬০০০০০০ যাদের মধ্যে ৪৯৯৮৬২ জন ইহুদি হয় তবে জার্মানিতে অনুপ্রবেশকারীর শতকরা হার কতো? তারপর পরাক্রমের কাছে মাথা নত করে গোটা দেশ থেকেই লোপ পেতে থাকে ইহুদিরা। প্রকৃত অর্থেই অদৃশ্য জীবে পরিণত হয় তারা। দেশের ভেতর আরেক দেশ গড়ে উঠেছে তখন, অভ্যন্তরের দেশ। ঘরের পাটাতনের নিচে, আলমারি, ওয়ার্ড্রোবের পেছনে আন্ডারগ্রাউন্ডের দেশ। যেখানে লুকিয়ে প্রাণভয়ে ভীত হাজারে হাজারে ইহুদি পরিবার, শিশু, কিশোর। সেখানে গোপন কোণে বসে একা একা ডায়েরি লিখে যায় ১৫ বছরের অ্যানা ফ্রাঙ্ক, মানুষের শুভবোধের প্রতি গভীর বিশ্বাসে।
কতোবার দুঃস্বপ্নের ভেতর পাড়ি দিয়েছি পোল্যাণ্ডের আউশউইৎসে, কিশোরী অ্যানার খোঁজে। ঘুরেছি ঘেটোগুলিতে যেখানে বন্দী ছিল হাজারে হাজারে শিশু কিশোর। তাদের খরগোশের মতো নরম পায়ের ছাপ খুঁজেছি ইতিহাসের ধুলোয়, কন্সেন্ট্রেশন ক্যাম্পের বিষবাষ্পে তাদের মৃদু নিরীহ নিঃশ্বাস। গেছি ওয়ারশ শহরের বুকে যেখানে ইয়ানুস কোরচাক ২০০ জন ইহুদি বালক বালিকাদের নিয়ে গড়ে তুলছেন এক আনন্দ আশ্রম। ১৯৪২। তাদের ঘেটোতে নিয়ে যাবার সময় সঙ্গে চলেছেন কোরচাক। সেই ঘেটোতে হাজির হন রবীন্দ্রনাথ! মৃত্যুভয় ভুলতে সবাই মিলে আনন্দ করে করছে নাটক, অভিনয় হচ্ছে ‘পোচতা’, কিশোর অমলের গল্প ‘ডাকঘর’। দেখতে পাচ্ছি ত্রেবলিঙ্কার মৃত্যুকূপের দিকে চলেছেন কোরচাক, পেছনে সারি দিয়ে চলেছে তাঁর ১৯৫ জন ছাত্র ছাত্রী, ধীর স্থির পায়ে। মরণ রাজার ডাক এসেছে তবু ভয়ডরহীন, আশঙ্কাহীন উজ্জ্বল সেইসব নবীন চোখমুখ। ভয়ের শাসন, মৃত্যুর শাসন একদিন জীবনেরই প্রয়োজনে ভুলিয়ে দেয় মরণভয়, করে তোলে মৃত্যুঞ্জয়ী। ঘৃণা হারে, প্রতিবার হারে। চিরসত্য হয়ে থাকে শৈশবের অপাপবিদ্ধ মনোজগত।
আহা জীবন জীবন! বিদ্বেষ কি কখনো বড়ো হতে পেরেছে তার চেয়ে?
……………………………………………………………………………
ঋণ : Caging Skies, Christine Leunens, Under Sandet, directed by Martin Zandvliet.