তন্ময় রায়-এর কবিতা

Spread This

তন্ময় রায়

 
 
আমি আর আঁতাতে যাইনি
নিজের গলাটা সরিয়ে রেখেছিলাম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থে
মানার মধ্যে কিছু চিহ্ন
এ গাল সে গাল থেকে
লালারসে
থেকে যতি থেকে কিছু একটায়
 
জং
এ আঙুল বিক্রিয়া করে বসেছে। উচ্চনাদী ছিল।
এর থেকে যা কিছু বেরিয়েছে কাঠ কাঠ।
তাদের টেনে তারও বানাতে পারো
 
মুখস্থ করার পদ্ধতিতে
তুমুল ছকের সুবাস
সংযোজন মাত্রায় ভেতর পানে চেয়ে
থিতিয়ে মারার প্ল্যান
যার ব্যবহার মানা তার বুকে ওঠা প্রভৃতি
মাধ্যম হিসেবে আম্লিক
 
ভেক
এ বয়স চেঁছে ছুলে বাখারি। পাকমুখী।
জল এলে বা জলে গেলে রব ড্রপ খাচ্ছে স্ফুটনে।
এখানে ওখানে ডিম পাড়ি
পেট ফাটানোর গাল হই নিজেই
 
পবিত্রবল লেখা খিঁচ
বিকেলে তুমি গাছপালা ভুল করো
অন্তরের আর্দ্রমিশ্রণ সম্পর্কে জানতে চেয়ে
ভাপ বা উবে যাওয়া লক্ষ্য করে ঢিল
পুকুরের গাবায়
সন্ধ্যের গায়ে আমার জায়গা হয়
 
মুকুর
এ সময় টাকরা সাঁটা ঘুম। বিরাগজ্বালা।
জড়িত থাকা অপরাধ কোন্‌ রঙের
কেন ফ্যাকাশে কুসুম
 
প্রশ্ন নিয়ে সূত্র তৈরি হয়
প্রশ্ন দিয়ে স্ট্র,
ফুটো করে ঢুকে পড়ি বয়সে
কত উৎসেচক খেয়ে নিচ্ছে সময়ে দেওয়া তাপ
কত কাব্যপ্রতিমা দেওয়ালে নোনা আটকাচ্ছে
 
খপ্পর
এ স্বাদ মাত্রা ছাড়ানো বয়ে যাওয়া। চাবুকঠোঁট।
ছকের গন্ধ আমিও পেতে রাখি। ভাবি বৃষ্টিতে
কাকে বাধ্য করব…
 
ফলে যাওয়ার আগে
যে ফ্যাক্টরে জিভ কেটে দেওয়া
কালকের দিনটিও আতসের নিচে
মজায় মজায়
ফালতু ঘামিয়ে দিই
 
এ আঁশ এ আঁশই রয়ে যাচ্ছে। ভিন্ন প্রেতে ঢুলতে বসলে ধারাপাত, ঝপ ক’রে একঝলক মিল ভাঙা পাঁচিল। মায়ের বাস উঠব উঠব, এমন ভোর। ভোর বেয়ে ঘাড়ে ছুলি হয়। বইতে ভালো লাগে এমন ল্যাজ গজায় আমার। বিপাক ও পরিপাকের তফাৎ বুঝতে অন্ত্রপথ ধরি। গুরুগন্ধ চতুর্দিকে।