আমরা

গার্গী দত্তগুপ্ত

পেশায় শিক্ষিকা। পাহাড় জঙ্গলেই বাসস্থান। গাছ, পশুপাখি, বই প্রেমি। একগুঁয়ে। সুরেলা। চরম ইমোশনাল। ভাবুক।ল্যাদময় জীবন।

বৈশাখী নার্গিস

লেখালেখি করে। মাঝে মধ্যে অন্ধকার থেকে আলো খোঁজে। নিজের মতন আঁকিবুকি করে রাতে। খুব আস্তে কথা বলে। শোনা যায় না। পেশা ঠিক হয়নি।

সৌগত ভট্টাচার্য

ইতিহাসের অধ্যাপক হলেও নিজের মতন একটা জগৎ তৈরি নিয়েছে। সেখানেও সেই ইতিহাসে পাতি হাঁসগুলো হু হু করে উড়ে যায়... পাহাড় নদী জঙ্গলে। দুচাকা আর চারচাকা দিয়ে ঘুরে বেড়ায় প্রান্তিক জীবন। গোল্লাছুটের বাইরে থেকে লেখালেখি করে যাওয়ার যায়।

সোমনাথ ঘোষাল

অনেককিছু হওয়ার ছিল, কিছুই হয়নি। লেখালেখি করেন। আরও অনেক অকাজ। বিশ্বাস করতে ভালোবাসেন। ছদ্মনাম রোগা বচ্চন। উত্তর কলকাতার দমকা হাওয়া

অভিজিৎ মিত্র

পেশায় আইটি অধ্যাপক। পাহাড় জঙ্গলেই রাত কাটায়। লাজুক প্রকৃতির। মাতাল ঠিক নয়! প্রসেনজিতের মতো দেখতে। গুপ্তচর। যোগাযোগ ব্যবস্থা বেশ খারাপ।

পার্থপ্রতিম দাস

বাইক প্রেমিক। তুলতুলে মন। ভবঘুরে। এখন মলাটে ছবি আঁকেন। গত জন্মে ক্যানভাসে আঁকতেন! সব বিষয়ে জ্ঞান আছে তাই মিষ্টি মোড়ল।

অনিকেত গিরি

বেশ রোগা। এই মনে হয় উড়ে যাবে। ভালো ছবি তোলে। কিন্তু মাছ তুলতে পারে না! জলের সামনে যায়। মিষ্টি ছেলে। চটপটে। কারিগরি শিক্ষা নিচ্ছে।

তিস্তা রায়চৌধুরী

শান্ত। মিষ্টি। ঘুমকাতুরে। বিচক্ষণ। সবে চৌকাঠ পেরিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। কতদূর যাবে! সেটাই খুঁজে যাচ্ছে। ছোট ছোট ভাবনাগুলোকে প্রশ্রয় দিয়ে, নিজেই নিজের হাতধরে যতদূর পথ। ঘরবাড়ি। চারকোণে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আলগা রোদ... লেখালেখিতে মন দিচ্ছে।

Our story